মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১১ মার্চ ২০১৫

আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন

আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সামাজিক সুরক্ষা

() নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রয়াস কর্মসূচিজয়িতা

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় বর্তমান সরকারের তিন বছরের সাফল্যজনক কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রয়াস কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত ধানমন্ডিস্থ রাপা প্লাজার ৪র্থ ও ৫ম তলায় স্থাপিত ‘জয়িতা’বিপণন কেন্দ্র । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিগত ১৬-১১-২০১১ তারিখ হোটেল রূপসী বাংলা থেকে তৃণমূল পর্যায়ের নারী উদ্যোক্তাদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জয়িতার কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং জয়িতার লগো উন্মোমচন করেন।

পটভুমিঃ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় সারা দেশে তৃণমূল পর্যায়ে ১৬০০০ এর অধিক নিবন্ধিত স্বেচছাসেবী মহিলা সমিতি রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ের এ সকল সমিতির সদস্যদের মধ্যে অসংখ্য ছোট ছোট নারী উদ্যোক্তা রয়েছে। পর্যাপ্ত ও অনুকুল নারী বান্ধব অবকাঠামো না থাকার কারণে তৃণমূল পর্যায়ের ছোট ছোট নারী উদ্যোক্তাগণ তাদের সমিতির সদস্যদের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী বাজারজাতকরণে কার্যকর কোন ভূমিকা রাখতে পারতেন না। এ সমসত্ম নারী উদ্যোক্তাগণ তাদের পন্য বা সেবা বিপণনে যথেষ্ট অভিজ্ঞ নন। ছোট ছোট নারী উদ্যোক্তাদেরকে তাদের উৎপাদিত পন্য বা সেবা বাজারজাতকরনের জন্য মধ্যস্বত্ত্ব ভোগীদের উপর নির্ভর করতে হয়। ফলে নারী উদ্যোক্তারা পূর্ণাঙ্গ সুফল ভোগ করতে পারতেন না এবং উদ্যোগগুলি টেকসই হত না।

লক্ষ্য উদ্দেশ্যঃ দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিপণন এবং বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে জয়িতার মাধ্যমে একটি নারী উদ্যোক্তা বান্ধব আলাদা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে সারা দেশ ব্যাপী গড়ে তোলার প্রয়াস নেয়া হয়েছে। এতে করে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে গতি সঞ্চারিত হবে; নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে; নারী ও পুরুষের বৈষম্য হ্রাস পাবে। সর্বোপরি নারীর ক্ষমতায়ন এবং পর্যায়ক্রমে দেশের দারিদ্র বিমোচন হবে।

পরিচালনা ব্যবস্থাপনাঃ জয়িতা বিপণি কেন্দ্রের একটি সাধারণ পর্ষদ রয়েরছ। এককালীন অফেরতযোগ্য নির্দিষ্ট পরিমাণ চঁাদা জমা দিয়ে নিবন্ধনকৃত স্বেচছাসেবী মহিলা সমিতি সাধারণ পর্ষদের সদস্য হবেন। পর্ষদ জয়িতার উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও বাসত্মবায়ন কৌশলের সাথে সংগতিপূর্ন একটি পূর্নাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করবে। ন্যূনতম বছরে দুইবার সাধারণ পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ পর্ষদ বাৎসরিক কর্ম পরিকল্পনা, বাজেট অনুমোদন করবে এবং কর্মপরিকল্পনা বাসত্মবায়ন অগ্রগতি মূল্যায়ন করবে। সাধারণ পর্ষদের ২/৩ অংশ সদস্যের সম্মতিক্রমে নীতিমালায় যে কোন মৌলিক পরিবর্তন/পরিবর্ধন/ পরিমার্জন করা যাবে।

জয়িতা বিপণি কেন্দ্রের নয় সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে। তনমধ্যে ছয় জন সদস্য সাধারণ পর্ষদের সদস্যদের ভোটে এক বছরের জন্য নির্বাচিত। অবশিষ্ট তিন জন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য যথা: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িতেব নিয়োজিত মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী, উক্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অফিসিয়াল সদস্য হিসেবে সংযুক্ত হবেন। এই তিনজন আরবিট্রেটরী হিসেবেও দায়িতব পালন করবেন।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপার্সন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ভাইস-চেয়ারপার্সন ও অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পরিচালনাপর্ষদের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িতব পালন করবেন।

গতিশীলতার সাথে জয়িতা পরিচালনার জন্য একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ৪জন পরামর্শক সমন্বয়ে একটি নির্বাহী পর্ষদ রয়েছে। তারা জয়িতার বিপণি কেন্দ্রের সার্বিক পরিচালনায় দৈনন্দিন নির্বাহী দায়িতব পালন করবেন।

Cheif Executive Officer (CEO) ও ৪ জন পরামর্শকগণের দায়িতব জয়িতার Brand Image গড়ে তোলা ও Profit Maximization করা।

Corporate culture অনুসারে বিপণি কেন্দ্র পরিচালিত হবে। পণ্যের গুনগত ও নান্দনিক মান নিয়ন্ত্রণ, সাশ্রয়ী মূল্য, গ্রাহক সেবা ইত্যাদির উপর সর্বোচ্চ গুরুত্বদান করে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করাই জয়িতা-র মূল লক্ষ্য।

অবকাঠামোগত অবস্থাঃ নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রয়াস কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত ধানমন্ডিস্থ রাপা পস্নাজার ৪র্থ ও ৫ম তলায় স্থাপিত ‘জয়িতা’ বিপণন কেন্দ্রে ১৩৯টি স্টল স্থাপন করা হয়েছে যা ১৮০টি সমিতির মধ্যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ১৩৯টি ষ্টলের মধ্যে ১০টি দেশীয় খাবার স্টল, ৬টি কৃষি পণ্য ও ১২৩টি হসত্মশিল্পজাত পণ্যের স্টল রয়েছে। ৫ম তলায় একটি বিনোদনের জন্য একটি সাংস্কৃতিক মঞ্চ রয়েছে। যেখানে দেশীয় ও ঋতু ভিত্তিক পালা পার্বন এবং সাংস্কৃতিক আচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে । ৫ম তলায় শিশুদের জন্য একটি চিলড্রেন কর্ণার রয়েছে। ৫ম তলায় জয়িতার একটি প্রশাসনিক অফিস ও সভা কক্ষ রয়েছে। উদ্যোক্তা এবং সেলস্ গার্লদের জন্য নামাজের স্থান রয়েছে।

বাণিজ্যিক লিংকেজঃ পণ্য যোগানের ক্ষেত্রে তৃণমূল পার্যায়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত সমিতি মহিলারাও ধীরে ধীরে জয়িতার সাথে সম্পৃক্ত হচেছন। বাজার ব্যবস্থা সম্প্রসারণে একজন মার্কেটিং কনসালট্যান্ট কাজ করছেন। প্রচার ও ব্র্যান্ড-ইমেজ গড়ে তুলতে একজন কনসালট্যান্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদেরকে আধুনিক ফ্যাশন ও ডিজাইন সম্পর্কে প্রশিক্ষণদানের জন্য একজন ডিজাইন কনসালট্যান্ট রয়েছেন। আইটির মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রবেশ ও প্রচার বং জয়িতা-র ব্র্যান্ড-ইমেজ গড়ে তোলা হবে। জয়িতা-র একটি ওয়েভ সাইট (www.joyeeta.com.bd) রয়েছে।

কর্মসূচির মেয়াদ বরাদ্দঃ নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রয়াস কর্মসূচি তথায় জয়িতার বাসত্মবায়নকাল ফেব্রম্নয়ারি-২০১১ জুন-২০১৩ পর্যমত্ম । জয়িতা বাসত্মবায়নে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমান ৭০৫.৭০ লক্ষ টাকা।

প্রত্যাশাঃ ১৬/১১/২০১১ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনের পর থেকে জয়িতার কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক । আশা করা যায় দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ছোট ছোট নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিপণন এবং বাজারজাতকরনের লক্ষ্যে একটি নারী উদ্যোক্তা বান্ধব অবকাঠামো গড়ে তুলতে জয়িতা কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। নারী উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা ও আর্থিক সহায়তার জন্য IFIC ব্যাংক কর্তৃক ঋণ প্রদান করা হচ্ছে।

 

(২) স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতি নিবন্ধন, নিয়ন্ত্রণ ও অনুদান বিতরণ

পটভূমিঃ   ১৯৬১ সনের ৪৬নং অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী স্বেচছাসেবী সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠানসমূহের রেজিষ্ট্রেশন ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা চালু করা হয়। এ অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী শুরু হতে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর মহিলা সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান সমূহের নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ করেছে । ১৯৭৮ সনের ৫ই এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি নং পি-এস/মবি-৪৬৫/৭৭-২৪০-১৯৬১ এর প্রেক্ষিতে মহিলা স্বেচছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (রেজিষ্ট্রিকরণ ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ (১৯৬১ সালের ৪৬ নং অধ্যাদেশ) এর ক্ষমতাবলে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর শুধুমাত্র মহিলাদের দ্বারা গঠিত মহিলাদের জন্য স্বেচছাসেবী মহিলা প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিবন্ধন, নিয়ন্ত্রণ এবং সমিতিসমূহের মধ্যে বার্ষিক অনুদান বিতরণ করে আসছে। স¥ারক নং সকমবিম/শা-মবি-১/৬ (৪)/৮৯/৬১,তাং ৩০/৪/৮৯  আদেশ বলে ১৯৮৯ সাল হতে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সমিতি রেজিষ্ট্রেশন দেয়া হচেছ।

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের জেলা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে স্বেচছাসেবী মহিলা সমিতি নিবন্ধন করা হয়। সমগ্র বাংলাদেশে বর্তমানে  নিবন্ধিত সমিতির সংখ্যা- ১৬৫০৯ টি।

২০১১-২০১২ অর্থ বছরের অনুদান বিতরণ সংক্রান্ত তথ্য ঃ

সাধারণ অনুদান ঃ

শ্রেণীর ধরণ               টাকার হার       সমিতির সংখ্যা               টাকার পরিমান

ক   শ্রেণীভূক্ত সমিতি      ২৫,০০০/-         ১০০০টি (১০০০*২৫,০০০)  = ২,৫০,০০,০০০/-

খ   শ্রেণীভূক্ত সমিতি      ২০,০০০/-         ১০০৫টি  (১০০৫*২০,০০০) = ২,০১,০০,০০০/-

 গ   শ্রেণীভূক্ত সমিতি     ১৫,০০০/-         ৭৭১টি   (৭৭১*১৫,০০০) =  ১,১৫,৬৫,০০০/-

 মোট= ২৭৭৬ টি সমিতি                                   মোট=  ৫,৬৬,৬৫,০০০/-

 

সাধারণ অনুদান বরাদ্দ প্রদান করার নিমিত্ত উপকমিটি কর্তৃক সমিতির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বিশেষ অনুদান

২০১১-২০১২ অর্থ বছরে ৬৪ জেলার প্রতিটি জেলায় ভালমানের ২টি  সমিতিকে (৬৪ দ্ধ ২)=১২৮ টি সমিতিকে ৪০,০০০/- টাকা হারে (১২৮ দ্ধ৪০,০০০/-) =৫১,২০,০০০/- টাকা বিশেষ অনুদান প্রদান করার  নিমিত্ত উপকমিটি কর্তৃক সমিতির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

স্বেচ্ছাধীন অনুদান

২০১১-২০১২ অর্থ বছরে স্বেচ্ছাধীন অনুদান হিসাবে ২০ লক্ষ টাকা বাজেট বরাদ্দ আছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক উক্ত টাকা স্বেচ্ছাধীন অনুদান হিসেবে বিতরনের জন্য চুরান্ত করা হয়েছে।

অর্জিত সাফল্য

সমাজে নারীর অবস্থা ও অবস্থানের ইতিবাচক পরিবর্তন আনয়নের লক্ষ্যে নিবন্ধনকৃত স্বেচছাসেবী মহিলা সমিতি সমূহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচী গ্রহণ করছে। ফলে ক্রমান্বয়ে গোটা নারী সমাজের অবস্থার উন্নয়ন ঘটছে। ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর হতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের স্বেচছাসেবী মহিলা সমিতি সমূহকে বৎসরওয়ারী অনুদান বিতরণ এবং বছরে প্রতি সমিতি হতে গড়ে প্রায় ১০০ জন দরিদ্র মহিলা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হচেছ

(৩) বিক্রয় ও প্রদর্শনী কেন্দ্র, অঙ্গনা

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সদর কার্যালয়ের  নীচতলায় অবস্থিত । অঙ্গনার মূল উদ্দ্যেশ্য  হচ্ছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সকল জেলা / উপজেলায় পরিচালিত  মহিলা প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং রেজিষ্ট্রীকৃত মহিলা সমিতি ও দুঃস্থ মহিলাদের উৎপাদিত মালামাল বাজারজাত ও বিক্রয়ের সহায়তা করার মাধ্যমে তাদেরকে  আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা।

হস্তশিল্প কাউন্টার : বিশেষ করে হাতের কাজ করা শাড়ী, থ্রী পিচ, নকসী কাঁথা,বেড কভার, ব্লাউজ, পেটিকোট, ম্যাক্সি, ছোট বাচ্চাদের  পোশাক, বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ, বিভিন্ন ধরনের শো-পিচ, কুশন কভার, পাঞ্জাবী, ফতুয়া, বেসিন  টাওয়াল, ওয়াল পকেট, ওয়ালম্যাট ইত্যাদি।

স্ন্যাক্স কর্নার ঃ  অঙ্গনার স্ন্যাক্স কর্নারটি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের রেজিষ্ট্রীকৃত স্বেচ্ছাসেবী  মহিলা  সমিতির মহিলা উদ্যোক্তাকে ১ এক বছরের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতি মাসে স্ন্যাক্স কর্নার এর বিক্রয় লব্ধ মুনাফার ১০% অঙ্গনায় জমা দেন।

অঙ্গনার হস্ত শিল্প কাউন্টার ও স্ন্যাক্স কর্নার থেকে অর্জিত  মুনাফা সরকারী কোষাগার বালাদেশ  ব্যাংকে জমা করা হয়।

  ২০১১ - ২০১২ পর্যন্ত ৩১ জন উদ্যোক্তাকে তাদের মালামাল বিক্রয়ের  পরে ৪৩টি চকের মধ্যমে মোট  ২,৪১,৬১২/= (দুই  লক্ষ একচল্লিশ হাজার ছয় শত বার) টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

সারণী

ক্র: নং

অর্থ বছর

ধরণ

ক্রয়

বিক্রয়

মুনাফা

১।

২০১১-২০১২

হস্ত শিল্প

৫,৯০,৩৭৩/-

৬,১৯,৮১৬/-

২৯,৪৪৩/-

২।

২০১১-২০১২

স্ন্যাক্স কর্ণার

-

-

৩৩,৩০০/-

 

(৪) ভিজিডি কর্মসূচি

ভূমিকাঃ ভিজিডি কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের একটি সর্ববৃহৎ Safety Net Programme (সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি)। দুঃস্থ ও অসহায় এবং শারীরিকভাবে সক্ষম মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি তাদের স্বাবলম্বী/আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় নির্বাচিত এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই কর্মসূচির উপকারভোগীরা ১০০% মহিলা। প্রতিটি চক্র দুই বছর অর্থাৎ ২৪ মাস মেয়াদী।  ২০১১-২০১২ চক্র শুরু হয়েছে ১ জানুয়ারী ২০১১ এবং শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর ২০১২। ২০১১-২০১২ চক্রে ৪৮৫টি উপজেলায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ৫০ হাজার জন। খাদ্য বরাদ্দ, পরিবহন ব্যয়,অন্যান্য ব্যয় এবং উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় প্রশিক্ষণ ব্যয় বাবদ ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে অনুন্নয়ন রাজস্ব খাতে মোট বাজেট ৮৪৪,৯৮,৩২,০০০/-  (আটশত ষোল কোটি পঁয়ষট্টি লক্ষ আশি হাজার)   টাকা।

উপকারভোগী নির্বাচন : ৬৪ জেলা ৪৮৫টি উপজেলা ৪,৫২৫টি ইউনয়নের ২০১১-২০১২ চক্রের জন্য উপকারভোগী মহিলা নির্বাচন করা হয়েছে।

খাদ্য বরাদ্দ : ৪৮৫টি উপজেলার ভিজিডি উপকারভোগীকে মাসে ৩০কেজি গম/চাল প্রাপ্যতার সাপেক্ষে এবং ৩টি পার্বত্য জেলার ২৫টি উপজেলায় মাথাপিছু ৩০ কেজি করে আতপ চাল বিতরণ করা হয় ।

উন্নয়ন প্যাকেজ সেবা (Development Package Service)

২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে প্রশিক্ষণ খাতে বাজেট বরাদ্দ ৩১ কোটি ৮৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ভিজিডি উপকারভোগী মহিলাদের উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ৬৪টি জেলায় সরকারের জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই পূর্বক ১৭৬টি নির্বাচিত এনজিও-চুক্তিবদ্ধ হয়ে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবা প্রদান করছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রতি উপকারভোগীর জন্য বার্ষিক ৪২৫/- টাকা হারে এনজিওকে সার্ভিস চার্জ প্রদান করা হয়।  উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় এনজিওরা  প্রশিক্ষণ , সামাজিক সচেতনতা, আয়বর্ধক  উদ্যোক্তা উন্নয়ন, সঞ্চয় এবং চাহিদার ভিত্তিতে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করছে।

পরিবহণ ব্যয় : ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটে পরিবহন খাতে ৫(পাঁচ কোটি) টাকা বরাদ্দ রয়েছে। সমতল, হাওড় ও পাহাড়ি এলাকা ভেদে কিঃ মিঃ হিসাবে প্রতি মেট্রিক টনের জন্য পরিবহণ ব্যয়ের মঞ্জুরী আদেশ মন্ত্রণালয়ের  অনুমোদন সাপেক্ষে  মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করা হয়।

অন্যান্য ব্যয় : ২০১১-২০১২ অর্থবছরে ট্রেনিং, কর্মশালা, অবহিতকরণসভা অনুষ্ঠিত হয়  এবং বর্তমানেও তা অব্যহত রয়েছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি কারিগরী সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছে। ৬৪ টিজেলায় ভিজিডি কার্যক্রম সম্পর্কে সভা করে সমস্যা  চিহ্নিত করণ  পূর্বক সুপারিশ প্রেরণের জন্য ৩০০০/- (তিন হাজার ) টাকা করে প্রতি জেলায় বরাদ্দ প্রেরণ করা হয়েছে। ২০১১-১২ অর্থবছরে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা হারে মোট ৪৫,১৩,০০০/-(পঁয়তাল্লিশ লক্ষ তের হাজার) টাকা অন্যান্য ব্যয় বাবদ প্রতি ইউনিয়নে প্রদান করা হয়েছে।

সঞ্চয় : উপকারভোগীগণ সাপ্তাহিক ১০/- (দশ) টাকা করে মাসে ৪০/- (চলি¬শ) টাকা সঞ্চয় জমা করছে। এই টাকা এনজিও এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার/উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার যৌথ একাউন্টে জমা রাখা হয়। চক্র শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে মুনাফাসহ সঞ্চয়ের জমাকৃত টাকা উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা  হয়।

উপকারভোগী মহিলা ইচ্ছা করলে এনজিওদের নিকট হতে ঋণ  নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা করতে পারে।সেক্ষেত্রে এনজিও  তাদের উৎপাদন, বাজারজাত ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা করবে। মানিকগঞ্জ জেলার ভিজিডি উপকারভোগী মহিলারা জয়িতা’য় তাদের উৎপাদিত পণ্য সরবরাহ করছে।

মনিটরিং : উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাগণ মাসে কমপক্ষে ৪টি কেন্দ্রের খাদ্য বিতরণ এবং ০৪টি করে প্রশিক্ষণকেন্দ্র  নিয়মিত মনিটরিং করেন।

জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাগণ মাসে কমপক্ষে ২টি কেন্দ্রের খাদ্য বিতরণ এবং ২টি করে প্রশিক্ষণকেন্দ্র নিয়মিত মনিটরিং করেন।  অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের জেলা/উপজেলা এবং সদর কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ একক/যৌথভাবে পরিদর্শন করেন। সদর কার্যালয়ের ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তাগণ মাঠ পর্যায়ে অন্যান্য কর্মসূচি পরিদর্শনের সাথে ভিজিডি কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। তাছাড়াও নিয়মিত  জেলা/উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাগণ যৌথভাবে পরিদর্শন করে থাকেন ।

রিপোর্টিং : প্রতি মাসে খাদ্য বিতরণের মাসিক প্রতিবেদন উপজেলা থেকে ৭ তারিখের মধ্যে সংশি¬ষ্ট জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। জেলা কার্যালয় উপজেলা থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন সমন্বয় কম্পিলিট  করে সদর কার্যালয়ে ১৫ তারিখের মধ্যে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে ৬৪টি জেলার সমন্বিত কম্পিলিট  প্রতিবেদন ২৫ তারিখের মধ্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন। 

 

(৫) সেলাই মেশিন বিতরণ

নিবন্ধনকৃত  মহিলা  সমিতি, দুঃস্থ ও প্রশিক্ষিত নারীদের আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সহায়তার উদ্দেশ্যে প্রতি বছর  সংশ্লিষ্ট  নীতিমালার আলোকে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

সেলাই মেশিন বিতরণ সংক্রান্ত বিবরণ

ক্রঃ নং

বিবরণ

মোট পরিমাণ

এ পর্যন্ত বিতরণ

অবশিষ্ট

মন্তব্য

পুরাতন ভালমেশিন

২৫৫

২৫৫

-

পুরাতন সামান্য ত্রুটি

২১৬

১৪৬

৭০

-

২০০৯-২০১০অর্থ বছর

৯৬১

৭০০

২৬১

-

২০১০-২০১১

১৯৮০

৩০০

১৬৮০

-

 

মোট=

৩৪১২

১৪০১

২০১১

 

নতুন ক্রয় ২০১১-২০১২ অর্থ বছর

৩০০১

১৩৫৬

১৬৪৫

 

 

(৬) কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচি

১। পটভূমিঃ

কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচি মা’জাতির সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের প্রতি জাতীয় স্বীকৃতি। কর্মজীবী মা’দের জন্য এই সহায়তা দরিদ্র মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, পুষ্টির উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক গৃহীত একটি অন্যতম সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম। যার মাধ্যমে গর্ভধারণকাল থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত সরকার নির্ধারিত ৫০০/- হারে নগদ অর্থ, আর্থ-সামাজিক ও সচেতনতামূলক সেবা প্রদান করা হয় । উল্লেখ্য, বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের জন্য নির্যাতন রোধকল্পে শুধুমাত্র ২০ বছরের অধিক বয়সী দরিদ্র কর্মজীবী গর্ভবতী/দুগ্ধদায়ী মা’দের ক্ষেত্রে প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণ কালে এ ভাতা প্রদান করা হয়।

২।  কর্মসূচি এলাকাঃ

 পাইলট কর্মসূচি হিসেবে প্রথম পর্যায়ে কর্মসূচিটি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর এলাকায় অবস্থিত বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ এর আওতাভূক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহে এবং দেশের ৬৪ টি জেলা সদরস্থ পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশনে ও সাভার উপজলোয় বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০১৪-১৫ র্অথ বছর হতে বকিএেমই এর আওতায়  চট্টগ্রাম জলোর নর্বিাচতি র্গামন্টস প্রতষ্ঠিান সমূহ। র্কমসূচরি সাফল্যের উপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দেশের সকল পৌরসভায় কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ করা হবে।

৩। আর্থিক ব্যবস্থাপনা :

 বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল হতে এ কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

 

বিবরণ

২০১০-২০১১

২০১১-২০১২

২০১৪-২০১৫

মন্তব্য

বরাদ্দকৃত অর্থ

৩০.০০ কোটি টাকা

৩৪.৩৪.৫৩.০০০ টাকা

৬৪.৮৩.০০.০০০ টাকা

 

বরাদ্দকৃত কার্ড সংখ্যা

৬৭৫০০ জন

৭৭৬০০ জন

১০০০০০ জন

 

চুক্তিবদ্ধ এনজিও/সিবিও এর কার্যক্রম

     নাই

বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ এবং ৬৩টি এনজিও উপকারভোগীদেরকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে

বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ এবং ৬৩টি এনজিও দ্বারা উপকারভোগীদের প্রশিক্ষণ প্রদান চলমান।

 

 

৪। প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা :

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে শহর অঞ্চলে “কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল’’  কর্মসূচি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় পর্যায়ে জাতীয় ষ্টিয়ারিং কমিটি, অধিদপ্তর পর্যায়ে বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটি এবং জেলা পর্যায়ে কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার নির্বাচন কমিটি রয়েছে।

৬। ভাতা বিতরণ : মাসে ৫০০/-(তিনশত পঞ্চাশ) করে একজন উপকারভোগী ২ বছর মেয়াদে এই ভাতা পেয়ে থাকেন। ব্যাংকিং সিস্টেম এর আওতায় এই ভাতা উপকারভোগদের মাঝে বিতরণ করা হয়। ৬৪টি জেলা পর্যায়ে ১০০০০০ জন উপকারভোগী অগ্রণী ব্যাংকের  সংশ্লিষ্ট শাখা হতে ভাতা পরিশোধ কার্ড প্রদর্শন পূর্বক এ ভাতার অর্থ গ্রহণ করবে এবং বিকেএমইএ এবং বিজিএমইএ এর আওতায় (২০৯১৪+২৫) ২০৯৩৯ জন উপকারভোগী স্ব - স্ব ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এই ভাতা উত্তোলন  করে থাকেন। বছরে ২কিস্তিতে ৬মাস পরপর এই ভাতা প্রদান করা হয়।

৭। প্রত্যাশা: প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে উপকারভোগীগণ মা ও শিশু স্বাস্থ্য, খাদ্য,পুষ্টি, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা সর্ম্পকে ভালভাবে ধারনা পেয়েছে। উপকারভোগীদের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সচেনতামূলক প্রশিক্ষণ ও  ভাতার অর্থ উপকারভোগীদের  আত্মসচেতনতা ও আত্ম-নির্ভরশীলতা অর্জনের ক্ষেত্রে প্রভাব (ওসঢ়ধপঃ) ফেলতে শুরু করেছে ।

৮। অর্জন : ২০১০-২০১১ হতে ২০১১-২০১২ অর্থবছরে দুই বছর মেয়াদে ৭৭৬০০জন উপকারভোগীকে প্রতি মাসে মাথাপিছু ৩৫০/-টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়। ভাতা প্রদানের পাশাপাশি চুক্তিবদ্ধ এনজিওর মাধ্যমে অনুমোদিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচিত উপকারভোগীদে-কে দলগতভাবে গর্ভকালীন,প্রসবোত্তর সমস্যা ও সমাধান এবং শিশু ও মায়ের পুষ্টি ও দুগ্ধদান ইত্যাদি  বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান  করা হয় ।  ফলে উপকারভোগী কর্মজীবী দরিদ্র মায়েদের গর্ভকালীন, প্রসবোত্তর সমস্যা ও সমাধান এবং শিশু ও মায়ের পুষ্টি ও দুগ্ধদান ইত্যাদি  বিষয়ে সচেতনতা এবং  সোস্যাল মোভিলাইজেশন বৃদ্ধি পেয়েছে।

র্বতমানে ২০১৪-১৫ র্অথ বছরে ভাতা বাবদ বরাদ্দ ৬০,০০,০০,০০০ (ষাট কোট) টাকা এবং ভাতাভোগীর সংখ্যা ১০০০০০জন।পর্যায়ক্রমে কর্মসূচির আওতায় একটি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি তৈরি করা হবে।

(৭) দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচি

পল্লী অঞ্চলের দরিদ্র, গর্ভবতী মায়েদের অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে তাদের দুঃখ দুর্দশা  লাঘব করার জন্য সরকার কর্তৃক ২০০৭-০৮ অর্থ বছরে ‘‘দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা” কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কার্যক্রমটি চলমান। এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো দরিদ্র মা ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, মাতৃদুগ্ধ পানের হার বৃদ্ধি, গর্ভাবস্থায় উন্নত পুষ্টি উপাদান গ্রহণ বৃদ্ধি। এ কার্যক্রমের আওতায় দরিদ্র গর্ভবতী মহিলাদের ভাতা প্রদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সংক্রান্ত এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক মাঠ পর্যায়ে  ৩২৮ টি এনজিও/ সিবিও এর মাধ্যমে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে, যার মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর,২০১৪ খ্রিঃ শেষ হয়। র্বতমানে এনজিও/সিবিও নর্বিাচন প্রক্রয়িাধীন।

 সারণী 

 

খাত

জেলার সংখ্যা

উপজেলার সংখ্যা

ভাতাভোগীর সংখ্যা

বরাদ্দকৃত

অর্থের পরিমাণ

মাসিক

ভাতার পরিমাণ

ব্যয়িত

 অর্থের

 পরিমান

ভাতা খাত

৬৪টি

৪৮৬টি

২,২০,০০০

জন

১৩২,০০, ০০,০০০/-

(একশত বত্রিশ কোট) টাকা

৫০০/-

৬৬,০০, ০০,০০০/-

ছষেট্টি কোটি)  টাকা

সাধারন

মঞ্জুরী খাত

-

-

-

১০,৬২,৬০, ০০০/- (দশকোটি বাষট্টি লক্ষ ষাট হাজার) টাকা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


Share with :
Facebook Facebook